1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
বিচার ব্যবস্থাভারত

শিক্ষকদের চাকরি বাতিলের উপর সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

৭ মে ২০২৪

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের রায়ের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করলো সুপ্রিম কোর্ট।

https://p.dw.com/p/4face
দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের ভবন।
২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিলো সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: picture-alliance/NurPhoto/N. Kachroo

আপাতত যোগ্য-অযোগ্য সব শিক্ষকের চাকরি বহাল থাকছে। আপাতত চাকরি যাচ্ছে না প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের। তবে সিবিআই তাদের তদন্ত চালিয়ে যাবে।

সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, আগামী ১৬ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ততদিন পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

তাছাড়া অযোগ্যদের এখনই ১২ শতাংশ হারে সুদ দিয়ে তাদের বেতনের টাকা ফেরত দিতে হবে না। স্থগিতাদেশ থাকছে সেখানেও।

শুধুমাত্র প্যানেলের বাইরে থেকে যাদের চাকরি হয়েছিল, শূন্য ওএমআর শিট দিয়ে যারা চাকরি পেয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের ক্ষেত্রে কোনো স্থগিতাদেশ জারি করা হয়নি। অতিরিক্ত শূন্যপদ যারা তৈরি করেছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলবে, কিন্তু কোনো কড়া পদক্ষেপ নেয়া যাবে না।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ হলো, যদি যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা যায়, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিলের দরকার হয় না।  কীভাবে যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা যাবে, তা ঠিক করতে হবে।

এর আগে এসএসসির পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আদালতে দাবি করা হয়, ১৯ হাজার চাকরি যোগ্যরাই পেয়েছে।

আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে। সকলের চাকরি বহাল থাকছে। তবে ওদের একটা মুচলেকা দিতে হবে। সিবিআই তদন্ত চালিয়ে যাবে।''

এই মুচলেকা হলো, অযোগ্য প্রমাণ হলে বেতন ফেরত দিতে হবে।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বা তৃণমূল কংগ্রেস বার বার মানবিকতার কথা বলেছিল, চাকরি না খাওয়ার কথা বলেছিল, আপাতত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তার প্রতিফলন দেখা গেলো।''

জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই)